নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানাধীন পুটিয়াখালী মৌজার ক-তফসিলভুক্ত সরকারি জমিতে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের পর পুনরায় কার্যক্রম শুরু হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উচ্ছেদের মাধ্যমে সরকারি জমি দখলমুক্ত করার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে সেখানে আবারও কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় নাজির রুহুল আমিন এবং সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, প্রশাসনের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলেও পরবর্তীতে একই জমিতে কার্যক্রম চালানোর সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো, সে বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে পুরো বিষয়টির পেছনে কোনো ধরনের প্রশাসনিক দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা বা অনিয়ম ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, সরকারি জমি রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হয়নি। তাদের মতে, সরকারি জমি দখলমুক্ত রাখার ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াতদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।
তবে স্থানীয়ভাবে প্রচারিত আর্থিক লেনদেন বা বিশেষ সুবিধা প্রদানের অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে নাজির রুহুল আমিন এবং সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, সরকারি জমি সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ জনস্বার্থের সঙ্গে জড়িত। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি সম্পত্তি সুরক্ষা ও প্রশাসনের প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্তের উদ্যোগ নেবে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
(চলবে — ফলোআপ প্রতিবেদন)