নিজস্ব অনুসন্ধান:ঢাকা
সাভার উপজেলার তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নের সাবেক সচিব এবং ঢাকা জেলার ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মীর আব্দুল বারেককে ঘিরে আবারও সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন স্থানীয় সূত্র, নথিপত্র ও অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তার ও পরিবারের নামে থাকা সম্পদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা জেলার পাতুলিয়া ইউনিয়নের গোকুলনগর এলাকায় ঢাকা–আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত প্রায় ৬ শতক জমি তার স্ত্রী ও শ্বশুরের নামে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, জমিটি বাদশা মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে। এলাকাবাসীর একাংশের মতে, মহাসড়কসংলগ্ন হওয়ায় জমিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৪তম গ্রেডের একজন সরকারি কর্মচারীর বেতন-ভাতার সঙ্গে এ ধরনের সম্পদের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তারা দাবি করেন, তার ও পরিবারের নামে আরও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে, যার উৎস নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্র আরও দাবি করেছে, অতীতেও মীর আব্দুল বারেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর তদন্তের ফলাফল প্রকাশ্যে আসেনি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতের কিছু অভিযোগ ধামাচাপা পড়ে যায়। এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।সুশাসন নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, কোনো সরকারি কর্মচারীর সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগ সত্য হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মীর আব্দুল বারেকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।