স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা:
ঢাকার বাড্ডা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম। ভুক্তভোগী দলিলদাতা, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ—দলিল নিবন্ধনের নামে এখানে গড়ে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট, যার নেতৃত্বে রয়েছেন এই কর্মকর্তা।
ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধের পরও দলিল নিবন্ধন করাতে অতিরিক্ত অর্থ (ঘুষ) দিতে হয়। ঘুষ না দিলে দিনের পর দিন ফাইল আটকে রাখা, নানা অজুহাতে আপত্তি তোলা কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে দলিল ফেরত দেওয়া হয়।
এক ভুক্তভোগী জানান,সব কাগজ ঠিক থাকলেও ঘুষ না দিলে দলিল হয় না। নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমে টাকা পৌঁছাতে হয় সাব-রেজিস্ট্রারের ঘনিষ্ঠদের কাছে।”
দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বাড্ডা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে দালালদের দাপট। অভিযোগ আছে, এরা সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলমের আশীর্বাদপুষ্ট। সাধারণ সেবাপ্রার্থীকে সরাসরি অফিসের কাজ করতে নিরুৎসাহিত করা হয়, বাধ্য করা হয় দালালের শরণাপন্ন হতে।দলিল জালিয়াতি ও বেআইনি নিবন্ধনের অভিযোগ একাধিক সূত্রের দাবি,
মালিকানা জটিল জমির দলিলও অর্থের বিনিময়ে নিবন্ধন করা হচ্ছে ওয়ারিশ সনদ ও নকশায় অসামঞ্জস্য থাকলেও তা উপেক্ষা করা হচ্ছে ভুয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে দলিল রেজিস্ট্রেশনের ঘটনাও ঘটেছেএসব কর্মকাণ্ডে জমির প্রকৃত মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং বাড়ছে জমি সংক্রান্ত বিরোধ।সরকারি রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কা
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষিত মূল্য কম দেখিয়ে দলিল নিবন্ধনের ফলে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দালালচক্র অবৈধ সুবিধা নিচ্ছে—এমন অভিযোগও উঠেছে।
তদন্তের দাবি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আইনজীবী ও সচেতন নাগরিক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে