নিজস্ব প্রতিনিধি, আশাশুনি উপজেলা
সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আব্দুল ওয়াদু বিপি নং–৭৫৯৪০০৮১৫১-এর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন।স্থানীয়রা জানান, থানার ওসি একাধিক মামলার ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা উত্তোলন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি থানার অন্যান্য কর্মকর্তা (এসআই ও এএসআই)দের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ ঘুষ নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন।নির্দিষ্ট ঘটনা প্রতাপনগরের আলোচিত ৫টি হত্যা মামলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে।শোভনালী ইউনিয়নের কালিবাড়ি বাজারে উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে নয়নের মাধ্যমে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়েছে।অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও লক্ষাধিক টাকা ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রতিবাদ ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বলেছেন, ওসির বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশের মাধ্যমে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।
তারা জোর দিয়ে বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
গুজব বা অপপ্রচার বন্ধ করে শুধুমাত্র সত্য উদঘাটন করা হোক—এটাই জনগণের দাবি।
উপসংহার আশাশুনির এই ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত দুর্নীতি নয়; এটি আইনের শাসন, নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহিতা ও জনআস্থা-এর প্রশ্ন।
স্থানীয়রা আশা করছেন—ঘুষ গ্রহণের সত্য উদঘাটন হোক, দোষীরা শাস্তি পাক এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সুনাম রক্ষা করা হোক।