1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কালীগঞ্জে বিএনপি’র পেশাজীবী দলের কমিটি গঠন সম্পন্ন শফিক- সভাপতি, লিটন- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নড়াইলের লোহাগড়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়াইলে মাদকদ্রব্যসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক শ্যামনগরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তি বহু পুরুষের সাথে ‎শারিরীক মেলামেশায় জরায়ু অপরেশন নায়েব শর্মিষ্ঠার ‎* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা । ‎* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে। * স্বামী অক্ষম হওয়ায় তরুণ যুবক তার্গেট নিজের নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকের নামে মামলা? মীর শাহীনকে ঘিরে পুরোনো মামলার নথি, ব্যবসা ও পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন তালা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক হাফিজুর রহমান সরকারি ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

আশাশুনিতে পাউবো কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের যোগসাজশে কোটি টাকার দুর্নীতি: ঝুঁকিতে উপকূলের বাঁধ।

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২-এর আশাশুনি উপ-বিভাগে জাইকা (JICA) অর্থায়িত টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও কোটি কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অসাধু ঠিকাদারদের প্রত্যক্ষ যোগসাজশে সিডিউল বহির্ভূত কাজ, নিম্নমানের ব্লক তৈরি এবং সরকারি নথিপত্রে ভুয়া তথ্য দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে বলে সরজমিনে দেখা গেছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, আশাশুনি উপ-বিভাগের আওতাধীন জাইকার ৪টি প্যাকেজের মধ্যে ২ নম্বর প্যাকেজ (হাজরাখালি) বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। অথচ নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে সেই বাতিল কিংবা স্থগিত কাজের অংশ অন্য ঠিকাদারের মাধ্যমে ৩ ও ৪ নম্বর প্যাকেজে (প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা এলাকা) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাউবোর নিয়মানুযায়ী কোনো প্যাকেজের কাজ অন্য ঠিকাদার বা স্থানে হস্তান্তরের লিখিত ‘অফিস অর্ডার’ কিংবা বাতিল সংক্রান্ত ‘ক্যানসেলেশন পেপার’ তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেনি কর্মস্থলে উপস্থিত কর্মচারীরা।
প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের সিসি ব্লক তৈরিতে চরম জালিয়াতি করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী কাস্টিংয়ের অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর ফর্মা খোলার বিধান থাকলেও তা মাত্র ১০ থেকে ১১ ঘণ্টার মধ্যে খুলে ফেলা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সময় না দিয়ে পরদিনই অপক্ক ব্লকগুলো মাটি থেকে তুলে সারিবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে, যা নিয়মিত কিউরিং না করায় প্রয়োজনীয় স্থায়িত্ব হারাচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে ব্লক তৈরির তারিখে। ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সরজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখা যায়, সেদিন নির্মিত ব্লকে পূর্ববর্তী অর্থবছরের ব্যাক ডেট (জুন ২০২৬-এর ভেতরের তারিখ মে মাসের ৪,৫ তারিখ) ব্যবহার করা হচ্ছে। মূলত কাজ না করেই আগের অর্থবছরের বিল উত্তোলন ও অগ্রগতি দেখানোর উদ্দেশ্যে এ ধরনের জালিয়াতি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
প্রকল্পের পিডি আরিফুজ্জামান-এর নির্দেশে সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী (XEN) আব্দুর রহমান তাযকিয়া, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (SDE) রাশিদুল ইসলাম এবং শাখা কর্মকর্তা (SO) আব্দুল আলিম-এর সহায়তায় এসব অনিয়ম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা জাইকা (JICA) বা পাউবোর কোনো প্রতিনিধিকে সাইটে দেখা যায়নি এবং উপস্থিত কেউ এ বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি।এলাকাবাসীর আশঙ্কা, প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ আশাশুনির মানুষের জানমালের সুরক্ষায় নির্মিত এই বাঁধ যদি এখনই তদারকি না করা হয়, তবে সামান্য জোয়ার বা ঢেউয়ের চাপে তা ভেঙে গিয়ে ভয়াবহ প্লাবন সৃষ্টি হবে। দুর্নীতিবাজরা যেন প্রমাণ লোপাট করতে না পারে, সেজন্য অবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারের জাতীয়, সংসদ সদস্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সরজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park