নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ ২৩ জুন—বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের এই দিনে পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
প্রতিষ্ঠার পর প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও শামসুল হক যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সে সময় তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে বন্দি থাকলেও তাকে সর্বসম্মতিক্রমে দলের প্রথম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় কাউন্সিলে মওলানা ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৫৫ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত তৃতীয় কাউন্সিলে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে নতুন নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।
স্বাধীনতার পর দলটির নাম হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালের ১ মার্চ ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার প্রাক্কালে শেখ মুজিবুর রহমান দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনা দলটির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বর্তমানে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে—এমন তথ্য বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং রাষ্ট্রগঠনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।