1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাসের অপসারণ এর দাবিতে আইনজীবীদের জরুরী সভা কালিগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ ১ মহিলা কারবারি আটক সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলা ভাদয়ালিতে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় সাইবার প্রতারণায় হারানো ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার সাতক্ষীরার রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা থেকে রক্ষা পেতে কোটি টাকার মিশন? শম্পা গোস্বামীর দৌড়ঝাঁপ আওয়ামী লীগের এমপির স্বামী আবুল কালাম আজাদ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মেয়ে রুপিয়া আক্তার রিমা অসুস্থ, সবার কাছে দোয়া কামনা চুকনগর-খর্নিয়া এলাকায় ইজিবাইক ও ট্রাক থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, থামবে কবে? এসআই মুন্সী পারভেজ হাসানকে ঘিরে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; ৪৩৬টি ইজিবাইক থেকে মাসে ৩০০ টাকা করে আদায়ের দাবি, ট্রাক থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ কালীগঞ্জে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, দুই ফেসবুক আইডিকে ঘিরে আলোচনা জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষার প্রতিদান, চাকরি হারালেন শ্যামল মুখার্জী! তালার কৃতী সন্তান সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া সাতক্ষীরার আলোচিত এনজিও মালিক শম্পা গাসামি রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ পাচার মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আবারও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ শম্পা গাসামির বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা জেলা পাসপোর্ট অফিসের অফিস সহকারী মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও অভিযোগ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা জেলা পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর জেলা পাসপোর্ট অফিসের অফিস সহকারী মনিরুজ্জামানের দিকে। সরকারি ফি নির্ধারিত থাকার পরও পাসপোর্টের অনলাইন আবেদনসহ বিভিন্ন সেবাকে কেন্দ্র করে কম্পিউটার দোকানদার ও কথিত দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ নাগরিকদের পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধের পরও অনলাইনে আবেদন, ফরম পূরণ ও অন্যান্য কাজের নামে বাইরে থাকা কিছু কম্পিউটার দোকান থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি ফির সঙ্গে প্রায় ১ হাজার ৫০ টাকা বা তারও বেশি অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ মানুষ অনেকেই অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় কম্পিউটার দোকানদারদের ওপর নির্ভরশীল। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কম্পিউটার দোকানদারদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ
অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা পাসপোর্ট অফিসের অফিস সহকারী মনিরুজ্জামানের সঙ্গে কয়েকটি কম্পিউটার দোকানের লোকজনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এসব দোকান থেকে পাসপোর্টের অনলাইন আবেদন করাতে আসা গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজে কম্পিউটার দোকানদারদের বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে-শুনিয়ে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলেছেন। ফলে পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ মানুষ সরকারি অফিসের সেবা নিতে গিয়ে বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য হচ্ছেন—এমন অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা।
দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়েও প্রশ্ন
শুধু কম্পিউটার দোকান নয়, পাসপোর্ট অফিসকে ঘিরে কথিত দালালদের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু ব্যক্তি নিজেদের প্রভাবশালী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং এর বিনিময়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এসব কথিত দালালের সঙ্গে অফিসের কিছু ব্যক্তির যোগাযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সরেজমিন অনুসন্ধান, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, অর্থ লেনদেনের প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য সংগ্রহ করা জরুরি।
সরকারি সেবায় অতিরিক্ত অর্থ কেন?
সাধারণ নাগরিকদের প্রশ্ন—সরকার নির্ধারিত ফি দেওয়ার পর একজন পাসপোর্ট আবেদনকারীকে কেন অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে? অনলাইন আবেদন করার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি সেবার বাইরে কোনো অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হলে তার বৈধতা কী, সেটিও পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, পাসপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা নিতে এসে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার বিষয়টি তাদের জন্য বড় ধরনের হয়রানি। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ এতে বেশি সমস্যায় পড়ছেন।
তদন্তের দাবিসাতক্ষীরা জেলা পাসপোর্ট অফিসকে ঘিরে ওঠা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকরা। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাইরের কম্পিউটার দোকান এবং কথিত দালালদের মধ্যে কোনো ধরনের যোগসাজশ রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
একই সঙ্গে পাসপোর্ট অফিসে সরকারি নির্ধারিত ফি ও সেবার তালিকা স্পষ্টভাবে প্রদর্শন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ এবং দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।
এ বিষয়ে অফিস সহকারী মনিরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা সাধারণ নাগরিকদের।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park