1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাসের অপসারণ এর দাবিতে আইনজীবীদের জরুরী সভা কালিগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ ১ মহিলা কারবারি আটক সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলা ভাদয়ালিতে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় সাইবার প্রতারণায় হারানো ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার সাতক্ষীরার রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা থেকে রক্ষা পেতে কোটি টাকার মিশন? শম্পা গোস্বামীর দৌড়ঝাঁপ আওয়ামী লীগের এমপির স্বামী আবুল কালাম আজাদ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মেয়ে রুপিয়া আক্তার রিমা অসুস্থ, সবার কাছে দোয়া কামনা চুকনগর-খর্নিয়া এলাকায় ইজিবাইক ও ট্রাক থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, থামবে কবে? এসআই মুন্সী পারভেজ হাসানকে ঘিরে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; ৪৩৬টি ইজিবাইক থেকে মাসে ৩০০ টাকা করে আদায়ের দাবি, ট্রাক থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ কালীগঞ্জে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, দুই ফেসবুক আইডিকে ঘিরে আলোচনা জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষার প্রতিদান, চাকরি হারালেন শ্যামল মুখার্জী! তালার কৃতী সন্তান সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া সাতক্ষীরার আলোচিত এনজিও মালিক শম্পা গাসামি রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ পাচার মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আবারও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ শম্পা গাসামির বিরুদ্ধে

সন্তানের বাবার পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ১২৬ বার পঠিত

ফেনীতে ধর্ষণের অভিযোগে একমাস দুদিন জেলে খেটেছেন মোজাফফর আহমেদ নামে এক মসজিদের ইমাম। তবে ডিএনএ টেস্টে তার সঙ্গে নমুনা মেলেনি।ঘটনাটি ফেনীর সীমান্তবর্তী উপজেলা পরশুরামের। এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ এক মাস দুদিন কারাগারে ছিলেন ইমাম মোজাফফর আহমেদ। তাকে ধর্ষক দাবি করে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার ঘর বাড়ি ভাঙচুর করে। হারাতে হয় চাকরি। দূরে সরে যায় আত্মীয় স্বজন ও গ্রামবাসী। মামলার খরচ চালাতে বিক্রি করতে হয়েছে বাড়ির জায়গা। প্রতিনিয়ত হেয়প্রতিপন্ন হয়েছে তার পরিবার। এসব কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন মোজাফফর আহমেদ। অথচ দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালত তাকে নির্দোষ হিসেবে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, কিশোরীর গর্ভের সন্তানের বাবা ওই ইমাম নন; বরং মেয়েটিরই আপন বড় ভাই। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর পরশুরামের ওই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা স্থানীয় টেটরশ্বর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মোজাফফরের বিরুদ্ধে পরশুরাম মডেল থানায় মামলা করেন। এর দুদিন পর ইমামকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে সন্তান প্রসব করেন স্থানীয় মক্তবে অধ্যয়নরত ওই কিশোরী। এর দায় চাপানো হয় মোজাফফর আহমদের কাঁধে।জানা যায়, সন্তানের বাবার পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।ডিএনএ পরীক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ডিএনএ পরীক্ষায় মোরশেদের সঙ্গে তার বোনের সন্তানের বাবা হিসেবে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল রয়েছে। মোজাফফর আহমেদ ওই সন্তানের জৈবিক পিতা নন।মোজাফফরের ডিএনএর মিল না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে কিশোরীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে ওই কিশোরী তার আপন বড় ভাই মোরশেদ তাকে লাগাতার ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেন। পরে ২০২৫ সালের ১৯ মে বড় ভাই মোরশেদকে (২২) গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আপন বোনকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ২০ মে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন মোরশেদ।ইমাম মোজাফফর আহমেদ শুক্রবার যুগান্তরকে বলেন, আমি প্রথম থেকে বলেছি, আমি নির্দোষ। কেউ আমার কথা বিশ্বাস তো দূরের কথা শুনতেও চাননি। আমি শেষ হয়ে গেছি। আর্থিক, সামাজিক ও পারিবারিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। মসজিদের ইমামতি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাকরি হারিয়েছি। মামলার খরচ চালাতে বাড়ির মূল্যবান জায়গা বিক্রি করে দিয়েছি। আত্মীয় স্বজনের কাছে ছোট হয়েছি।তিনি বলেন, আমি এ অপবাদের বিচার চাই, ক্ষতিপূরণ চাই। যেন এ ধরনের ঘটনা দেশে কোথাও আর যাতে না হয়। বিভিন্ন সময় মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের যাচাই-বাছাই না করে অপবাদ দিয়ে ফাঁসানো হয়। ঘটনার শুরুতে প্রকৃত সত্য তুলে ধরলে আজ আমার এ করুণ দশা হতো না। মিথ্যা মামলায় আমার মতো অনেক নিরপরাধ মানুষ কারাগারে আছেন।মোজাফফর আহমেদের আইনজীবী আবদুল আলিম মাকসুদ বলেন, এ ধরনের ঘটনা বিরল। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ডিএনএ পরীক্ষায় সত্য উদঘাটন হয়েছে। এখন তিনি চাইলে মামলা করতে পারবেন।পরশুরাম মডেল থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করেছে। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর চার্জশিট থেকে মোজাফফরের নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিরপরাধ একজনকে ফাঁসানোর জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park