1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাসের অপসারণ এর দাবিতে আইনজীবীদের জরুরী সভা কালিগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ ১ মহিলা কারবারি আটক সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলা ভাদয়ালিতে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় সাইবার প্রতারণায় হারানো ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার সাতক্ষীরার রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা থেকে রক্ষা পেতে কোটি টাকার মিশন? শম্পা গোস্বামীর দৌড়ঝাঁপ আওয়ামী লীগের এমপির স্বামী আবুল কালাম আজাদ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মেয়ে রুপিয়া আক্তার রিমা অসুস্থ, সবার কাছে দোয়া কামনা চুকনগর-খর্নিয়া এলাকায় ইজিবাইক ও ট্রাক থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, থামবে কবে? এসআই মুন্সী পারভেজ হাসানকে ঘিরে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; ৪৩৬টি ইজিবাইক থেকে মাসে ৩০০ টাকা করে আদায়ের দাবি, ট্রাক থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ কালীগঞ্জে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, দুই ফেসবুক আইডিকে ঘিরে আলোচনা জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষার প্রতিদান, চাকরি হারালেন শ্যামল মুখার্জী! তালার কৃতী সন্তান সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া সাতক্ষীরার আলোচিত এনজিও মালিক শম্পা গাসামি রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ পাচার মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আবারও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ শম্পা গাসামির বিরুদ্ধে

আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিংয়ের জন্য ১০ লাখ দিলেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী মীর শাহিন

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, মিছিল-মিটিং এবং দলীয় নেতাকর্মীদের অর্থায়নের সঙ্গে স্থানীয় এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী মীর শাহিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন তিনি।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, আগামী ডিসেম্বর মাসে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন আলোচনা চলছে, তখন আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীকে সংগঠিত করার জন্য অর্থের জোগান দেওয়ার একটি অভিযোগও সামনে এসেছে। শেখ হাসিনা নিজেই চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।
তবে অনুসন্ধানে উঠে আসা ১০ লাখ টাকা দেওয়ার অভিযোগটির স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে এখনো নিশ্চিতভাবে আসেনি। ফলে অভিযোগটির সত্যতা যাচাই করতে অর্থ লেনদেনের তথ্য, ব্যাংকিং রেকর্ড, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লেনদেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
গোপন বৈঠক ও কারখানাকে ঘিরে অভিযোগ
অভিযোগ রয়েছে, মীর শাহিনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি কারখানা/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর বৈঠক ও সাংগঠনিক যোগাযোগের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়ভাবে প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘তুবা পাইব’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
অভিযোগকারীদের প্রশ্ন—যদি সত্যিই ওই প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক বৈঠক হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে কারা উপস্থিত ছিলেন, কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং কোনো ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন বা সাংগঠনিক পরিকল্পনা হয়েছে কি না, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করেছে কি না?
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ড প্রশাসনের নজরের মধ্যেই ঘটলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনো কার্যক্রম?
মীর শাহিনকে স্থানীয়ভাবে স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তার ব্যবসায়িক কার্যক্রম, আর্থিক লেনদেন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি না—সেটিও তদন্তের দাবি রাখে।
বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যয় হয়ে থাকলে সেই অর্থের উৎস কী, কীভাবে অর্থ সরবরাহ করা হয়েছে এবং কারা তা গ্রহণ করেছেন—এসব প্রশ্নের উত্তর বের করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
প্রশাসনের কাছে একাধিক প্রশ্ন
এ ঘটনায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে স্থানীয়দের কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—
১. মীর শাহিনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগের কোনো তদন্ত হয়েছে কি না?
২. কথিত ১০ লাখ টাকা লেনদেনের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না?
৩. ‘তুবা পাইব’ প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক বৈঠক বা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সত্য কি না?
৪. সত্যতা পাওয়া গেলে অর্থের উৎস ও গন্তব্য কী ছিল?
৫. স্বর্ণ ব্যবসার পাশাপাশি অন্য কোনো অবৈধ আর্থিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না?
৬. অভিযোগগুলো সত্য হলে এতদিনে প্রশাসনিক বা আইনগত ব্যবস্থা কেন নেওয়া হয়নি?অভিযোগের সত্যতা যাচাই জরুরি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুতর হলেও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা যায় না। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
মীর শাহিনের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বক্তব্য এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
প্রশ্ন একটাই—অভিযোগগুলো যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে অর্থের উৎস, রাজনৈতিক অর্থায়ন এবং কথিত বৈঠকগুলোর বিষয়ে প্রশাসনের তদন্ত কোথায়?এ বিষয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী মেয়ে শাহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন হ্যাঁ দিয়েছি তাই কি হয়েছে চাইলে আওয়ামীলীগের জন্য আরো দশ লাখ দেব বলে ফোন কেটে দেন

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park