1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় সাইবার প্রতারণায় হারানো ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার সাতক্ষীরার রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা থেকে রক্ষা পেতে কোটি টাকার মিশন? শম্পা গোস্বামীর দৌড়ঝাঁপ আওয়ামী লীগের এমপির স্বামী আবুল কালাম আজাদ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মেয়ে রুপিয়া আক্তার রিমা অসুস্থ, সবার কাছে দোয়া কামনা চুকনগর-খর্নিয়া এলাকায় ইজিবাইক ও ট্রাক থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, থামবে কবে? এসআই মুন্সী পারভেজ হাসানকে ঘিরে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; ৪৩৬টি ইজিবাইক থেকে মাসে ৩০০ টাকা করে আদায়ের দাবি, ট্রাক থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ কালীগঞ্জে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, দুই ফেসবুক আইডিকে ঘিরে আলোচনা জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষার প্রতিদান, চাকরি হারালেন শ্যামল মুখার্জী! তালার কৃতী সন্তান সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া সাতক্ষীরার আলোচিত এনজিও মালিক শম্পা গাসামি রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ পাচার মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আবারও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ শম্পা গাসামির বিরুদ্ধে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে জামায়াতের লংমার্চ ফেরত বাসের ধাক্কায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা আব্দুল খালেক নিহত, ২০ নেতাকর্মী আহত ‘সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেপেলেদের যদি রাস্তায় পাওয়ায় যায়, তাহলে তাদের ধরা হবে,

সাভারে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম অবৈধ সম্পদ, বদলি বাণিজ্য ও ঢাকা ডিসির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার, ঢাকা:ঢাকার সাভার উপজেলার ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদকে ঘিরে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জনের অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথিপত্র পর্যালোচনা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জনের অভিযোগও রয়েছে।
ঢাকায় একাধিক বাড়ি ও বিপুল সম্পদের অভিযোগ
আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্যতম বিষয় হলো তাঁর কথিত বিপুল সম্পদ। অভিযোগকারীদের দাবি, ঢাকার মতো ব্যয়বহুল এলাকায় তাঁর দুইটি বাড়িসহ জমি, ভবন ও অন্যান্য সম্পদ রয়েছে।
তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং তাঁর বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, আয়কর নথি এবং ব্যাংক লেনদেন পর্যালোচনা করা হলে অভিযোগের প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে।
বদলি বাণিজ্যে কোটি টাকা—অভিযোগের তদন্ত দাবি
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি বা পদায়নকে কেন্দ্র করে কথিতভাবে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের কেউ কেউ দাবি করছেন, এই কথিত বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে কোটি টাকা উপার্জনের এই অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত এটিকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।
কোন কর্মকর্তা কখন কোথায় বদলি হয়েছেন, সেই বদলির সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না এবং সংশ্লিষ্ট অর্থের উৎস কী—এসব বিষয়ে তদন্ত হলে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব।
জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ—নেপথ্যে কারা?
অন্যদিকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও বদলিকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও ষড়যন্ত্রের কথাও সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের একটি অংশের দাবি, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও সম্পদের অভিযোগ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছড়ানো হতে পারে।
তবে আবুল কালাম আজাদকে সরাসরি এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার মতো স্বাধীন ও যাচাইকৃত প্রমাণ এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি
একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিটি বিষয় নথিভিত্তিকভাবে যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে তাঁর সম্পদের হিসাব, আয়কর বিবরণী, জমি ও ভবনের মালিকানা, ব্যাংক লেনদেন, ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক নথি এবং বদলি-পদায়ন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অভিযোগগুলো সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে তা স্পষ্ট করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়মুক্ত করা—দুই ক্ষেত্রেই স্বচ্ছ তদন্তই হতে পারে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের পথ।
আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্যও প্রতিবেদনের ভারসাম্যের স্বার্থে প্রকাশ করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন হচ্ছে—কথিত বিপুল সম্পদের উৎস কী? বদলি-পদায়নকে কেন্দ্র করে আদৌ কোনো আর্থিক লেনদেন হয়েছে কি না? এবং জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা ষড়যন্ত্রের অভিযোগের পেছনে প্রকৃত ঘটনা কী?
এসব প্রশ্নের উত্তর এখন নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও নথিভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসা জরুরি।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park