
নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক সোনার বাংলাদেশ’ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ হোসেনকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি অফিসে বসে মাদক সেবন করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি: অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। অফিসে মাদক সেবনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হোক এবং দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া এবং তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়াও জরুরি।
জনস্বার্থে প্রশ্ন— সরকারি সেবাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত হবে কবে? অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব।সরকারি দপ্তর সাধারণ মানুষের সেবা পাওয়ার জায়গা। সেখানে কোনো কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনকালে মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকলে, কিংবা সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
প্রশ্ন উঠছে, অভিযোগের পরও ব্যবস্থা কোথায়?
কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য কিংবা দাপ্তরিক তদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি: অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। অফিসে মাদক সেবনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হোক এবং দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া এবং তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়াও জরুরি।জনস্বার্থে প্রশ্ন— সরকারি সেবাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত হবে কবে? অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব।দৈনিক সোনার বাংলাদেশ—সত্যের সন্ধানে, জনস্বার্থে।