1. admin@dailyksonarbangladesh.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় সাইবার প্রতারণায় হারানো ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার সাতক্ষীরার রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা থেকে রক্ষা পেতে কোটি টাকার মিশন? শম্পা গোস্বামীর দৌড়ঝাঁপ আওয়ামী লীগের এমপির স্বামী আবুল কালাম আজাদ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মেয়ে রুপিয়া আক্তার রিমা অসুস্থ, সবার কাছে দোয়া কামনা চুকনগর-খর্নিয়া এলাকায় ইজিবাইক ও ট্রাক থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, থামবে কবে? এসআই মুন্সী পারভেজ হাসানকে ঘিরে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; ৪৩৬টি ইজিবাইক থেকে মাসে ৩০০ টাকা করে আদায়ের দাবি, ট্রাক থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ কালীগঞ্জে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা, দুই ফেসবুক আইডিকে ঘিরে আলোচনা জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষার প্রতিদান, চাকরি হারালেন শ্যামল মুখার্জী! তালার কৃতী সন্তান সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া সাতক্ষীরার আলোচিত এনজিও মালিক শম্পা গাসামি রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ পাচার মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আবারও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ শম্পা গাসামির বিরুদ্ধে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে জামায়াতের লংমার্চ ফেরত বাসের ধাক্কায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা আব্দুল খালেক নিহত, ২০ নেতাকর্মী আহত ‘সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেপেলেদের যদি রাস্তায় পাওয়ায় যায়, তাহলে তাদের ধরা হবে,

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১২৪ বার পঠিত

চিকিৎসায় অবহেলার কারণে জিন্নাত আলী নামে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইলের আদালতে জিন্নাত আলীর ছেলে আবু হুরায়রা এ মামলার আবেদন করেন।মামলায় বাদী আবু হুরায়রার আইনজীবী মোকছেদুল হাসান মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। তবে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।মামলার আবেদনে অন্য আসামি হলেন, হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডা. এস.এম.এম নিরব হোসেন, ডা. সিরাজুল, ম্যানেজার, সহকারী ম্যানেজার, রিসিভশনের জুনায়েদ, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় শহিদ, আশিক, সামিউল, মশিউর রহমান লাভলু এবংসিকিউরিটিগার্ড সাইদুর।মামলায় অভিযোগ করা হয়, জিন্নাত আলী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এরপর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে সেখানে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। ওয়ার্ড বয় শহিদ ভিকটিমকে জরুরি বিভাগে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে আবু হুরায়রাকে এসে বলেন, তার বাবার হার্টে নয়, মাথায় সমস্যা। তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালসহ ঢাকার কোথাও আইসিইউ খালি নেই। হৃদয় জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ খালি আছে। সেখানে কম টাকায় চিকিৎসা করাতে পারবে। প্রতিদিন ১৫ হাজার টাকা লাগবে। শহিদের কথামত রাজি হলে তিনিসহ আশিক, সামিউল, মশিউর রহমান লাভলু, সাইদুর গাড়ি ঠিক করে সোয়া ৮ টার দিকে আবু হুরায়রার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে হৃদয় জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়। এর ১০ মিনিট পর ম্যানেজার, সহকারী ম্যানেজার ও জুনায়েদরা ২০ মিনিটের মধ্যে ভিকটিমে টেস্ট করানো ও ওষুধ কেনার জন্য সাড়ে ১৫ হাজার টাকা নেয়। ওষুধ কেনার জন্য তারা আবারও টাকা চায়। এতে আবু হুরায়রার সন্দেহ হলে সে ডা. নিরব হোসেন ও ডা. সিরাজুলকে জানায়, বাবার চিকিৎসা এখানে করাবে না।তারা তাকে জানায়, এখানে চিকিৎসা ভালো। তারপরও আবু হুরায়রা জোর দিলে রিসিপশনে গিয়ে বিল পরিশোধ করে নিয়ে যেতে বলে। রিসিপশনে গিয়ে আবু হুরায়রা দেখেন, ২৭ হাজার টাকা বিল হয়েছে। বিল পরিশোধ ছাড়া তার বাবাকে নিয়ে যেতে পারবে না বলে জানানো হয়। আবু হুরায়রা ডা. নিরব হোসেন ও ডা. সিরাজুলকে বারবার অনুরোধ করছিল। পরে নিরব হোসেনের নেতৃত্বে ম্যানেজার, সহকারী ম্যানেজার ও জুনায়েদরা ও তাদের তিনজন আবু হুরায়রাকে আটকে রেখে মারধর করে এবং তার বাবার চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়। পরে ১২ হাজার টাকা জোগাড় করে তিনি হাসপাতালে দেন। দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটের দিকে তারা ভিকটিমকে ছেড়ে দেয়। আবু হুরায়রা তার বাবাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। এদিন বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে জিন্নাত আলী মারা যান।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আবু হুরায়রা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যান চার ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে। তখন তারা চিকিৎসাপত্র ছিনিয়র নিয়ে মারধর করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন। তাকে মেরে ফেলার এবং চোর বানিয়ে পুলিশে দেওয়ার হুমকি দেন। গত ২ মার্চ আবু হুরায়রা আবার সেখানে যান। তারা তাকে চোর বানিয়ে পুলিশের কাছে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশ আবু হুরায়রা অভিযোগের কপি দেখে তাকে ছেড়ে দেয়। এ বিষয়ে বাদী থানায় অভিযোগ করতে যান। তবে থানা কর্তৃপক্ষ তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক সোনার বাংলাদেশ
Theme Customized By Shakil IT Park