নিজস্ব প্রতিবেদক সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরা ট্রমা সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলা, রোগী মৃত্যুর অভিযোগ ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনাসংবলিত সংবাদ প্রকাশের পর নতুন করে তদবির ও সংবাদ ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, এক ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বারবার প্রতিবেদকের ব্যক্তিগত ও অফিসিয়াল নম্বরে ফোন করেন। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তিনি প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাহার বা নরম করার জন্য বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন।অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠেছে, ডাক্তার হাফিজুল্লাহ বর্তমানে জামায়াতে ইসলামী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং হাসপাতালের পরিচালক ডা. হাফিজুর রহমান–এর পক্ষে বিভিন্ন মহলে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনিক ও সামাজিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতেই এসব যোগাযোগ করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিককে ফোন দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তারা বিষয়টিরও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
তবে ডা. হাফিজুর রহমান–এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।