
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
ঢাকার সাভার উপজেলার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি সচিব হিসেবে মাসুদ করিমের পদায়নকে কেন্দ্র করে ঘুষ ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এই পদায়নের জন্য প্রায় ১০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। যদিও এ অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্তে সত্যতা নিশ্চিত হয়নি এবং মাসুদ করিমের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইউপি সচিবদের বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে পছন্দের কর্মস্থলে পদায়ন দেওয়া হচ্ছে এবং এ প্রক্রিয়ায় কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তার নামও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে মাসুদ করিমের পদায়ন কীভাবে হলো? বদলি প্রক্রিয়ায় কারা ভূমিকা রেখেছে? ঘুষের অর্থ কারা গ্রহণ করেছে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে তারা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।সচেতন মহলের মতে, বদলি বাণিজ্যের মতো অভিযোগ সরকারি প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তারা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।