
নিজস্ব প্রতিবেদক | সাতক্ষীরা“প্রেরণা নারী উন্নয়ন সংস্থা”র নির্বাহী পরিচালক শম্পা গোস্বামীকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিলেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থার আনুষ্ঠানিক তদন্তের তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, যেসব অভিযোগ জনপরিসরে আলোচনা হচ্ছে, সেগুলো যদি ভিত্তিহীন হয় তাহলে তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট হওয়া উচিত। আর অভিযোগে সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
আইনজীবীদের একটি অংশ বলছেন, নাগরিকত্ব, সম্পদের উৎস, এনজিও পরিচালনা এবং সরকারি বিধিবিধান সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর আসতে পারে কেবল যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে। এ ধরনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার নথিপত্র ও তথ্য যাচাই গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশ অভিযোগ করেছে, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রকাশ্য অনুসন্ধান বা তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তারা অবগত নন। ফলে নানা গুঞ্জন ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, সরকারি নথি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার অবস্থান একসঙ্গে তুলে ধরা হলে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে আসবে।
তারা বলেন, “অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব তদন্ত সংস্থার। গণমাধ্যমের দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য যাচাই করে উভয় পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরা।”এ বিষয়ে শম্পা গোস্বামীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীরা।সচেতন মহলের মতে, অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ ও গুঞ্জনের পরিবর্তে এখন প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত। কারণ তদন্তই নির্ধারণ করবে অভিযোগগুলোর বাস্তবতা এবং পরবর্তী করণীয়।
(চলবে)