
সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃজনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মফিজুর রহমানের অপকর্মের শেষ কোথায় অবৌধ টাকাই সাতক্ষীরা শহরে রয়েছেন আলিসান বাড়ি, দুর্নীতি করে ব্যাংকে রেখেছেন কোটি কোটি টাকা তার এই অপকর্ম ঢেকতে কলোরোয়া বিএনপি নেতা তুহিন কে দিয়ে ফোন করে সুপারিশ সাতক্ষীরা বাসীর অভিযোগ দুদুকসষ দিয়ে তদন্ত করার দাবি।
অনুসন্ধানে গিয়ে জানা যায় সাতক্ষীরা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মফিজুর রহমান সাতক্ষীরায় থাকাকালীন ঠিকেদারদের সহযোগিতায় অবৈধ টাকা দিয়ে করেছেন সাতক্ষীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ডুপ্লেক্স বাড়ি।ব্যাংকে রেখেছেন কোটি কোটি টাকা অনেকের বলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মফিজুর মফিজ এর বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় থাকাকালীন ঠিকাদারদের সাথে সম্পর্ক রেখে অবৈধভাবে ইনকাম করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন এই কর্মকর্তা সে তালা এবং সদরে অবস্থায় কত টিউবওয়েল এর কাজ হয়েছে সকল টিউবয়েলের ডেপ করে করছে কিন্তু বিল করেছে বেশি এখান থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সে টিউবয়েলের প্লাটফর্ম এবং রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং এর প্লাটফর্মের কোন কাজ ডিজাইন অনুযায়ী করিনি। যা সরজমিনে তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে। তার দুর্নীতির তথ্য পেলেই কর্তৃপক্ষ তাকে মনিরামপুর বদলি করে কিন্তু আবারো মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে আলিশান বাড়ি থাকার জন্য সাতক্ষীরায় আবারো আসেন নেই কর্মকর্তা এসেই শুরু করেছেন একের পরে এক দুর্নীতি তার এই অবৈধ অর্থের দুদুকের সুদৃষ্টি কামনা করছি আমরা
তার নিজের এলাকাবাসী নাম না বলা এক ব্যক্তি জানান সাইকেলে করে মুরগি বিক্রি করে বেড়াতো মফিজুল ইসলাম এর পিতা। আর সাতক্ষীরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মফিজুর রহমান সে লোকের বাড়ির লজিং থেকে পড়াশোনা করেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে মাত্র পাঁচ বছর চাকরি করেই আলাউদ্দিনের চারাগ পাওয়ার মতন হয়ে গিয়েছে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। এখন সে ৫ লক্ষ টাকা দামের মোটরসাইকেল চালায় দুই লক্ষ টাকা দামের স্যামসাং ফোল্ডিং সেট ইউজ করে কোটি টাকা খরচ করে ভীষণ ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করছে বাড়ির বাউন্ডারিতে লাগিয়েছে রাসটিক টাইলস তার গ্রাম মনিরামপুরের রোহিতা ইউনিয়নের খেদাপাড়া গ্রামে কিনেছে দশ বিঘা জমি।যশোর সুপার এর বাংলা সামনে কিনেছে প্লট। যশোর শহরে নিকটে বেকুটিয়া তে কিরেছে তিনটি প্লট। আছে তার স্ত্রী এবং তার একাউন্টে কোটি কোটি টাকা। তার একাউন্টের মধ্যে ডাচ বাংলা ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখা এনআর বি সি ব্যাংক যশোর শাখা সোনালী ব্যাংক তালা শাখা আরো বিভিন্ন ব্যাংকে আছে তার অ্যাকাউন্ট। এ পাঁচ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে এত সম্পদ কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে মফিজ এলাকাবাসী কে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।