
ফালোআপ সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার আমিনুল ইসলাম বিরুদ্ধে ভিও ডব্লিউ ডি বিনামূল্যে বিতরণ ও খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির রেশন কার্ডের চাউল১৫টাকা কেজি দরের বস্থায় কম দেওয়ার দুর্নীতি করে কোটি টাকার আলিশান বাড়ি তাছাড়া ব্যাংকে রয়েছেন কয়েক লক্ষ টাকা করেছেন অটল সম্পদ এই নিয়ে নিউজ প্রকাশ হওয়ার পরে বিভিন্ন মহলেই আলোচনার ঝড় উঠেছেন এই নিয়ে প্রতিবেদন কারীকে মিথ্যা মামলা দেওয়ার সহ নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছেন কি সাতক্ষীরা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার আমিনুল ইসলাম পক্ষে কিছু দালাল চক্ররা।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম সকল কার্যক্রমে অনিয়ম দূর্নীতির পাহাড় গড়ে তুলে করছে ভাগ বাটোয়ারা সংশ্লিষ্ট মিল মালিকদের থেকে শুরু হয় সেখান থেকে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে এ অবৈধ টাকা কামিয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেলেই তার বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশ করেন।।অনুসন্ধানে আরো বের হয়ে আসে খাদ্য অধিদপ্তর এর কমসুচির কয়েক টি ডিলার থেকে উপকার ভুগী কাডধারীরা ১৫ টাকা দরে (৩০)কেজি চাউল ক্রয় করে। কাডধারী নাম না বলা ব্যক্তি বলেন চাইলের বস্তা ওজন করে। ২৯কেজি চাল হয়েছে,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক রেশন কার্ড ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন আমাদের বস্তায়ও চাল কম হয়েছে।
এদিকে কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সরেজমিনে দেখা গেছে,ভিও ডব্লিউ ডি প্রকল্পের অসহায় দুস্ত পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে বিতরনের জন্য মাসিক (৩০) কেজি চাউলের বস্তা স্তুপ করে রাখা তা থেকে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা (৯)টি বস্তা ওজন করে এবং ৭টি বস্তায় চাল ওজনে কম পাওয়া যায় এ ব্যাপারে আরো অনুসন্ধান করে জানা যায় মোঃ আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত এই সাতক্ষীরা খাদ্য গুদাম থেকে অনিয়ম দুর্নীতি করে কোটি টাকা কামিয়ে আলিশান বাড়ি করেছেন ব্যাংকে রয়েছেন কয়েক লক্ষ টাকা এসব দুর্নীতি অভিযোগ থাকলেও বহলতবিয়তে চাকরি করছেন এই নিয়ে আলোচনা ঝড় উঠেছে কেউ বলছেন এই দুর্নীতিবাজ সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলামকে কিছু দুর্নীতিবাজরা সহযোগিতা করছেন তাই তাদের বিরুদ্ধে হাজার দুর্নীতি অভিযোগ হলেও বহল তবিয়তে আছেন বলে অনেকের দাবি
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা খাদ্য গুদাম ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলেই তার ব্যবহৃত নাম্বার কয়েকবার ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি