
মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ,স্টাফ রিপোর্টারঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আসামী পলাতকের সহায়তাকারী অভিযোগে আল আমিনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ মে ( বুধবার) শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্য রাখেন-
উপজেলার মুন্সিগঞ্জের সেট্রোল কালিনগর গ্রামের খোরশেদ আলমের পুত্র সেনা সদস্য মোঃ সালাউদ্দিন (বাপ্পী)। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,তার একমাত্র বোন সাদিয়া খাতুন (২২) কে একই গ্রামের মফিজ উদ্দীন গাজীর পুত্র মোঃ জামাল হোসাইন এর সহিত সামাজিক ও ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিগত ৮ বছর পূর্বে বিবাহ হয়।তাদের ৬ বছরের একমাত্র পুত্র সন্তান রয়েছে। জামাল হোসাইন বর্তমানে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হওয়ায় তার বোনের উপর বিভিন্ন প্রকার শারিরিক ও মানষিক নির্যাতন অব্যহত রেখে যৌতুক দাবী করছে। তার বোনের মারপিট ও যৌতুক দাবী করার ঘটনায় বিগত ২৫/৫/২০২৬ তারিখে শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়। মামলা নং-৪৮। তার বোন সাদিয়া বাদী হয়ে জামাল হোসাইন, তার ভাই শহিদুল ইসলাম ও তার বোন রাবেয়া বেগমের বিরুদ্ধে মামলা হলে আসামীরা পলাতক থাকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামী জামাল হোসাইন গত ২৬/৫/২০২৬ তারিখে রাত ৮ টার দিকে মুন্সিগঞ্জ বাজারে বাপ্পী সহ স্থানীয়রা তাকে দেখে আটক করতে শ্যামনগর থানাকে অবহিত করা হয়। জামাল হোসাইন অবস্থা বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে ফেলে। একই গ্রামের মুজিবুর রহমান গাজীর পুত্র সাংবাদিক নামধারী আল আমিন হোসেনসহ কয়েকজন আসামীকে পুলিশের কাছে সোপার্দ করার নিমিত্তে দায়িত্ব নেন। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আসামীকে পালাতে সহায়তা করে ছেড়ে দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসামী কে না পেয়ে চলে আসেন। অথচ আসামী আটকের পরিস্থিতির ঘটনা আল আমিন হোসেন ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন পোর্টাল থেকে সালাউদ্দিন (বাপ্পী) কেভুয়া সেনাবাহিনী সদস্য আখ্যায়িত করে প্রচার করে। সালাউদ্দিন (বাপ্পী) কে হেয় করার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।আল আমিন সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জে ইউনিয়নে জেলে সম্প্রদায়ের এক নারীর অপমৃত্যুর ঘটনায় ৫০ হাজার টাকা দাবী করায় তার বিরুদ্ধে জেলেরা মানবন্ধন করে।আল আমিন হোসেনের চাঁদাবাজি ও হয়রানীতে এলাকাবাসী দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আসামীদের গ্রেফতার ও আল আমিন হোসেন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।