
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তৃতীয় পর্বে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে গড়ে তোলা প্রভাব ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তিনি শুধু সম্পদের পাহাড়ই গড়েননি, বরং একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন, যা এখনো সক্রিয় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরায় কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন প্রকল্প ও টেন্ডারকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে তোলেন ইমরান। এই চক্রের মাধ্যমে ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়মিত কমিশন নেওয়া, কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা এখনো সক্রিয় এবং বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ রক্ষা করে ইমরানের প্রভাব বজায় রাখছে। এমনকি গোপালগঞ্জে কর্মরত থাকলেও সাতক্ষীরার অনেক কার্যক্রমে তার পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে দাবি করেছেন একাধিক সূত্র।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি অফিসে সাধারণ একটি ফাইল নড়াচড়া করাতেও ‘অফ দ্য রেকর্ড’ টাকা দিতে হতো। অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারীর এমন প্রভাব বিস্তার এবং কোটি টাকার সম্পদের মালিক হওয়া প্রশাসনিক দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—এতদিন ধরে এসব অনিয়ম চললেও কেন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?
অভিযোগ উঠেছে, শুধু বদলি করেই দায়িত্ব শেষ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এতে করে দুর্নীতির মূল সমস্যা থেকে যাচ্ছে। বরং এতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নতুন জায়গায় গিয়ে একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পাচ্ছেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করছে, ইমরান হোসেনের সম্পদের উৎস, ব্যাংক লেনদেন, জমি ও সম্পত্তির তথ্য খতিয়ে দেখা হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।
তাদের মতে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থা নয়, ফৌজদারি মামলার মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজ