
এসএম রুবেল
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক:ধরাছোঁয়ার বাইরে পদহীন’সেই প্রভাবশালী চক্র! চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফিনিশ! এখন রওনা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের একজন সম্মানিত শিক্ষকের ছেলে রিদওয়ানুর রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানা এলাকার একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠলেও,রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে স্থানীয় প্রশাসন।ঘটনার নেপথ্যে যারা! অভিযোগের আঙুল উঠেছে শিবগঞ্জ থানার জালমাছ মাড়ী পৌর এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক সংঘবদ্ধ চক্রের দিকে। অভিযুক্তরা হলেন— আপেল, শাহীন টেরা, শামীম, জিয়া, আয়নাল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নামধারী শিহাব। এলাকায় এরা ‘মভ কালচার’ বা গণপিটুনির আতঙ্ক সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে লাঞ্ছিত করা এবং নিয়মিত চাঁদাবাজির সাথে জড়িত বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, নেই কোনো পদ-পদবি'অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই চক্রটি নিজেদের বিএনপির লোক দাবি করে এলাকায় দালালি ও চাঁদাবাজি চালালেও খোদ বিএনপির দলীয় কোনো স্তরেই এদের ন্যূনতম কোনো পদ-পদবি নেই। দলটির নাম ব্যবহার করে তারা এক ধরণের ‘ছায়া ক্ষমতা’ ভোগ করছে। প্রশ্ন উঠেছে, দলীয় পরিচয় ছাড়াই এই সন্ত্রাসীদের ক্ষমতার উৎস কোথায়? কারা এদের পেছনের খুঁটি-?
থানা চত্বর থেকেই বাদীকে ‘পুনরায় অপহরণ’!
সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্যটি হলো, ভুক্তভোগী রিদওয়ানুর রায়হান যখন এই অপহরণের বিচার চাইতে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করতে যান, তখন সেখানে ঘটে সিনেমার মতো ঘটনা। মামলার আসামিরা সদলবলে থানায় উপস্থিত হয়ে খোদ পুলিশের সামনেই বাদীকে হুমকি প্রদান করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সুবেল নামের আরেক সন্ত্রাসীর সহযোগিতায় থানা থেকেই রিদওয়ানকে জোরপূর্বক মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রশাসনের নীরবতা ও বড় প্রশ্ন!ঘটনার পর রাজশাহী রেঞ্জের তৎকালীন ডিআইজি বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও অদ্যাবধি কোনো দৃশ্যমান তদন্ত বা প্রতিকার পাননি ভুক্তভোগী পরিবার। শিবগঞ্জ থানা আজও মামলাটি রুজু করেনি।এলাকাবাসীর প্রশ্ন:!থানা চত্বর থেকে একজন বাদীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সাহস এরা পায় কীভাবে-? প্রশাসন এবং বিএনপির স্থানীয় নেতারা কি তবে এই ‘পদহীন’ সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি-?তৎকালীন ডিআইজিকে জানানোর পরও কেন তদন্তে কোনো অগ্রগতি হলো না-?
জনগণের দাবি' ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এই সন্ত্রাসী চক্রকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় জনগণ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এই ‘অদৃশ্য শক্তির’ মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি। ও পরবর্তী পদক্ষেপ মানববন্ধনের ডাক। পর্ব-১