* জরায়ু কাটাহলেও থেমে নেই অবাধ মেলামেশা ।
* ডজন খানেক প্রেমের সত্যতা মিলেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরার বহুল আলোচিত নায়েব শর্মিষ্ঠা সরকারের একের পর এক বের হয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্বামী অক্ষম হওয়ায় একসাথে একাধিক পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয় এই শর্মিষ্ঠা সরকার। একাধিক পরোকীয়ায় মেলামেশার কারণে শারিরীক গঠন নষ্ট হয়ে যায়। শারিরীক গঠন ঠিক রাখতে ঘুষের লাখ লাখ টাকা খরচ করে করেন ট্যামিটাগ সার্জারি। ট্যামিটাগ সার্জারির মাধ্যমে শরীরের আর্কষণ ধরে রাখেন। যেন উঠতি বয়সী তরুণরা তার প্রতি আর্কষিত হোক।
অনুসন্ধানে জানা যায়,
কলেজ জীবনে ভর্তি হয় সরকারি মহিলা কলেজে। সেই সময় এক শিক্ষকের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। শিক্ষকের বাসায় রাত যাপন করতেন। শিক্ষক শর্মিষ্ঠার যাবতীয় খরচ বহন করতেন। শিক্ষকের পাশাপাশি আরেকজনের সাথে সম্পর্ক গড়ায় মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। পরে ওই শিক্ষক থেকে দূরে সরে এসে ২০০৬ সালে ২৫ বছরের বড় সহজ সরল শ্যামনগরের নূর নগরের প্রশান্তকে বিয়ে করে। তাছাড়া শর্মিষ্ঠার পেটের চর্বি ঝুলে যাওয়ায় শরীর আর্কষণ রাখতে ঘুষের লাখ টাকা ব্যয়ে করেন ট্যামিটাগ সার্জারি। বিভিন্ন মানুষের সাথে পরোকীয়া প্রেমে অবাধ মেলামেশা কারণে জরায়ু টিউমারে আক্রান্ত হন শর্মিষ্ঠা। পরবর্তীতে শর্মিঁষ্ঠা ভারতে গিয়ে জরায়ু অপরেশন করে জরায়ু সম্পূর্ণ কেটে ফেলেন।
২০০৫ সালে চাকরিতে যোগদানের পরে কর্মস্থলে এসে আবারও প্রেমে জড়ান। কথায় আছে ঢেকি স্বর্গে গেলে ও ধান ভাঙ্গে তেমন শর্মিষ্ঠা সরকার যেখানে গিয়েছে সেখানে প্রেমে জড়িয়েছিলেন।তৎকালীন নায়েব ইউনুস চিশতীর সাথে প্রায় ৫ থেকে ৬ বছর অবাধ মেলামেশা করেছেন। বিভিন্ন স্থানে আপত্তিকর অবস্থায় ধরাও পড়েছে। তাছড়া সেই সময়
ভাড়াশিমলা ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় নায়েব শর্মিষ্ঠা দুই যুবককে প্রমের ফাঁদে ফেলেন। ভুক্তভোগী দুই যুবকের নাম ভাড়াশিমলার সনজিত ও তারালীর সুমন। সুমন ছিল তার গাড়ি চালক স্কুটিতে করে কালিগঞ্জে ব্রীজ থেকে নিয়ে যেত ভাড়াশিমলা অফিসে। আর সনজিত তার বাড়ি ভাড়াশিমলার হওয়ায় শর্মিষ্ঠার হয়ে সে নামজারি, ঘুষ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতো।
অপরদিকে খুলনায় এক শিক্ষক সুশান্ত সাথে প্রেমে জড়ান। খুলনা থেকে সুশান্ত কয়েকবার সাতক্ষীরা এসে দেখাও করে গিয়েছেন। সম্প্রতি এক গণমাধ্যম কর্মীর সাথে প্রেমে জড়ান। গভীর পেয়ে অবাধ মেলামেশা করেছেন। যার কল রেকর্ড অন্তরঙ্গ মুহুর্তের স্কিন শর্ট নেটদুনিয়ায় ভাইরাল যেটা জেলা জুড়ে টফ অফ দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি সদরের সাবেক এসিল্যান্ড বদরুদ্দোজা সাথে ঘনিষ্ঠতা করে কাজ বাগিয়ে নিতেন। এসিল্যান্ডের রুমে গাড়িতে সার্বক্ষনিক শর্মিষ্ঠাকে দেখা যেত।
শর্মিষ্ঠার স্বামী প্রশান্ত অক্ষম হওয়ায় শর্মিঁষ্ঠাকে কিছু বলার সাহস পেত না। শর্মিষ্ঠা ঘুষের টাকায় বেপরোয়া জীবন যাপন করত।
ভুক্তভোগী খুলনার শিক্ষক সুশান্ত বলেন, শর্মিষ্ঠাকে আমি বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করতাম।এক পর্যায় আমাদের প্রেম হয়। যখন সম্পর্ক গভীর হয় তখন শুনি সে আমি বাদেও অন্যর সাথে প্রেম করে। আমি জিজ্ঞেসা করলে সে ক্ষেপে যায় আমার সাথে রুক্ষ আচারণ করে। আমি গত ফ্রেবুয়ারি মাসে সাতক্ষীরা সদর ভূমি অফিসে গিয়েছি তার সাথে দেখা করে সময়ও কাটিয়েছি।
অপরদিকে নায়েব ইউনুস চিশতীর কাছে পরোকীয়া প্রেমের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন তার সাথে আমার ভাল সুসম্পর্ক ছিল। গভীর বন্ধুত্ব ছিল একটা যেটা একান্ত ব্যক্তিগত। সে মানুষের সামনে আমাকে মামা বলে ডাকত এটা সত্য। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চায় না।
ভুক্তভোগী ভাড়াশিমলার সনজিত বলেন, নায়েব শর্মিঁষ্ঠা ভাড়াশিমলা যোগদানের পর আমার সাথে পরিচয় হয়। আমি তখন ভূমি অফিসে নামজারি কাজ করতাম। তার সাথে কথা বলতে বলতে ফেসবুকে এড হয়ে ম্যাসেঞ্জারে কথা বলা শুরু হয়।সে যখন তার পারিবারিক অশান্তির কথা শেয়ার করে তখন তার প্রতি অনুভূতি সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে প্রেমে জড়িয়ে পড়ি আমরা। কিন্তু তার প্রেমটা ছিল নাটকীয়তা আমার ব্যবহারের স্বার্থে। আমি তাকে সত্যিকারে ভলাবেসে এখন ভবঘুরে হয়ে ঘুরে বেড়ায়। আরেক ভুক্তভোগী তারালীর সুমন বলেন, আমার রেন্টটাকারে গাড়ির ব্যবসা ছিল। সে খুলনায় তার ছেলের সাথে দেখা করার সুবাদে গাড়ি ভাড়া নিত প্রায় সময়। এক পর্যায়ে তার মিষ্টি আলাপে প্রেম সৃষ্টি হয় সে একইভাবে আমার প্রেমে সাড়া দেয়। আমি প্রায় তার স্কুটিতে ভাড়াশিমলা ভূমি অফিসে যেতাম এটা ওই অফিসের সকল স্টাফ জানে। সে আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করেছে।
অভিযুক্ত বহুল আলোচিত শীর্ষ দুর্নীতিবাজ নায়েব শর্মিঁষ্ঠা সরকারকে একাধিকবার তার ব্যবহৃত তিনটা নাম্বারে ফোন দিলে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।