
আল আমিন সরদার নিজস্ব প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
মানবিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সাধারণ জনগণের কাছে ব্যাপক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আরেফিন জুয়েল হাসান। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সাতক্ষীরা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশি সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকেই জেলার প্রতিটি থানায় পুলিশ সদস্যদের আচরণ ও ব্যবহার আমূল বদলে গেছে। এখন থানায় গেলে সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়, অযথা হয়রানি বন্ধ হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে দিনযাপন করতে পারছেন, রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছেন।সাতক্ষীরা জেলার যেকোনো থানায় এখন মামলা, সাধারণ ডায়েরি (জিডি), পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন (ভিআর), চাকরির ভিআরসহ সব ধরনের পুলিশি সেবা বিনা খরচে প্রদান করা হচ্ছে। থানার প্রধান ফটকগুলোতে এ সংক্রান্ত ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে—যেখানে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে, এসব সেবার জন্য কোনো টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এর ফলে থানায় দালাল ও ঘুষের দৌরাত্ম্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান স্থানীয়রা।পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল হাসান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মাদক নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস দমন ও অপরাধ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এসব কার্যক্রমে জেলা পুলিশ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সাধারণ মানুষ পুলিশের এই মানবিক ও স্বচ্ছ ভূমিকার প্রশংসা করছেন।
পুলিশ সেবাগ্রহীতা একাধিক ব্যক্তি জানান, পুলিশ সুপার নিয়মিত ডিউটিরত অফিসার ও প্রহরীদের কাছে খোঁজ নেন—কোনো নাগরিকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে কি না। এতে থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রতি ভদ্র ও সহানুভূতিশীল আচরণের মানসিকতা গড়ে উঠেছে।সাগর নামে এক ছাত্র জানান,পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল হাসান স্যার সাতক্ষীরায় যোগদানের পর যেন পুরো জেলার পুলিশ ব্যবস্থায় নতুন রূপ এসেছে। পুলিশ এখন সত্যিকার অর্থেই জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করছে।”ভ্যানচালক, শ্রমজীবী মানুষ ও অসহায় সাধারণ জনগণের কাছে তিনি আজ ‘মানবিক পুলিশ সুপার’ হিসেবে পরিচিত। দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাতক্ষীরাবাসী তার জন্য দোয়া কামনা করছেন—তিনি যেন ভবিষ্যতেও সততা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন