
তূর্য হোসেন স্টাফ: রিপোর্টার।
দীর্ঘদিন ধরে সালিশের নামে জিম্মি করা হচ্ছে ভুক্তভোগীদেরকে।মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে সালিশে মন মত এক তরফা রায় দিয়ে আসছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার ঘটেছে নতুন ঘটনা।শুক্রবার সরকারি ছুটি এবং বিভিন্ন অফিস ও আদালত বন্ধ থাকার রেওয়াজ থাকলেও বন্ধ থাকে না চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কোর্ট।এই কোর্ট থেকে তথাকথিত রায়ে ১১ লক্ষ টাকা জরিমানার নামে আদায় করেছেন এক দরিদ্র ব্যক্তির জোরপূর্বক। এছাড়া সালিশে আগতদের কপালে জুটেছে নিগ্রহ। চেয়ারম্যান নিজে ভুক্তভোগীকে লাথি মেরেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হাত দিয়ে কিল ঘুষি মেরেছেন সালিশে উপস্থিত ভুক্তভোগীকে। নজিরবিহীন ভাবে নিজস্ব জরিমানা করার সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে এগারো লক্ষ টাকা জরিমানা ডেকেছেন তিনি। এতেও তিনি ক্ষান্ত থাকেননি চৌকিদার ইমরানকে পাঠিয়েছেন ভুক্তভোগির সাথে তার বাড়িতে। চৌকিদারের জোরাজোরিতে চেক বই সহ হাজির হন ভুক্তভোগী আবারো চেয়ারম্যানের বাড়িতে। এবার চেয়ারম্যান চেকের পাতা রেখে দেন এবং তাতে জোরপূর্বক ভয় ভীতি দেখিয়ে ভুক্তভোগীর স্বাক্ষর করিয়ে নেন। এলাকাবাসী এই কর্মকান্ডে ফুঁসে উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি অতি সত্বর চেয়ারম্যানের দখল থেকে চেকটি উদ্ধার করা হোক। এছাড়া গতকাল জুম্মার দিনের ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ ও প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হোক।চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত আদালত বন্ধ করার দাবি উঠেছে চারিদিক থেকে। গতকাল ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে ভেড়ামারা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়।