
বাগেরহাট সদর প্রতিনিধি):
বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেক সাব রেজিস্টার মামুন শারদার–কে ঘিরে সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে যে, দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোটি টাকার বেশি অর্থ অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। স্থানীয় সূত্র এবং প্রশাসনিক নজরদারি বলছে, তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য নেই।অভিযোগের বিবরণ স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সাব রেজিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ এবং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে কোটি টাকা উপার্জনের সুযোগ পেয়েছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি নথি ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার ঘটেছে।সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন
সংশ্লিষ্টদের মতে, সাব রেজিস্টারের নামে-বেনামে জমি, ফ্ল্যাট এবং নগদ অর্থ রয়েছে, যা তার সরকারি আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিনের দায়িত্বকাল ও প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে এই সম্পদ অর্জিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তদন্ত ও আহ্বানসদর এলাকার সচেতন নাগরিকরা দাবি করেছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)–সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ ও ত্বরিত তদন্ত জরুরি। তারা মনে করছেন, সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে এবং অবৈধ সম্পদের বিষয়টি পরিষ্কার হবে।প্রতিক্রিয়া এই অভিযোগের বিষয়ে সাবেক সাব রেজিস্টার মামুন শারদারের বক্তব্য জানা যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।