
নিজস্ব প্রতিবেদক:সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার সরুলিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মীর শাহীনকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাটকেলঘাটা ৩০ মাইল আসাননগর মোড়ে “তুবা পাইপ” নামে একটি কারখানা গড়ে তুলেছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, এই পাইপ কারখানার আড়ালে বিভিন্ন অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।স্থানীয় কৃষকদের দাবি, নিম্নমানের পাইপ সরবরাহ করে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এতে অনেক কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মীর শাহীন অতীতে যশোর জেলায় সোনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে প্রভাব ও অর্থের বিনিময়ে তিনি আইনি জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসেন—এমন কথাও স্থানীয়দের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে। এমনকি আদালত পর্যায়েও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
জানা গেছে, মীর শাহীন একজন সাইকেল মিস্ত্রি জামাল উদ্দিনের ছেলে। শুরুতে একটি সোনার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করলেও পরবর্তীতে সোনার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে দ্রুত আর্থিকভাবে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। তবে তার এই উত্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার গ্রেপ্তার হলেও প্রতিবারই মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তিনি নিজেকে রক্ষা করেছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলো দিন দিন আরও জোরালো হয়ে উঠছে।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।অভিযুক্তের বক্তব্য: এ বিষয়ে কারখানার মালিক মীর শাহীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করে বারবার কেটে দেন। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।