
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার সরুলিয়া ইউনিয়নের লালচন্দ্রপুর গ্রামে সম্প্রতি একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রসেনজিৎ ঘোষ, যিনি পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মোড়ে ‘মেজদা’ নামে পরিচিত একজন বিকাশ ব্যবসায়ী, এবং মৃত মিলন ঘোষের স্ত্রীকে ঘিরে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা চলছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও নানা প্রশ্নের জন্ম হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, কয়েক দিন ধরে ঘটনাটি নিয়ে গ্রামজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে এবং এ জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে বলেও কেউ কেউ দাবি করছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ঘটনাটি নিয়ে যেহেতু বিভিন্ন ধরনের দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে আসছে, তাই প্রকৃত সত্য উদঘাটনের স্বার্থে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তাদের মতে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পেলে জনমনে সৃষ্টি হওয়া বিভ্রান্তি ও আলোচনা-সমালোচনার অবসান ঘটবে।এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রসেনজিৎ ঘোষ ওরফে ‘মেজদা’ এবং একই গ্রামের মৃত মিলন ঘোষের স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ছিল। তাদের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে ওই নারীর বাড়িতে প্রসেনজিৎ ঘোষ প্রবেশ করলে গ্রামবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা হয় এবং মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে ঘটনাটি নিয়ে আর কোনো জটিলতা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। এলাকাবাসীর একাংশ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যথাযথ তদন্ত ছাড়া কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।