নিজস্ব প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ‘প্রেরণা’ এনজিওর পরিচালক শম্পা গোস্বামীকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দৈনিক সোনার বাংলাদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অর্থায়ন এবং ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়েছে এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। তবে মামলার নথি, আদালতের আদেশ এবং পুলিশের সর্বশেষ বক্তব্য যাচাই করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এনজিওটির অনুদান গ্রহণ, কার্যালয়ের ঠিকানা ব্যবহার এবং নারী উদ্যোক্তা সংগঠনের জন্য বরাদ্দ অর্থের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ।
দৈনিক সোনার বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমেও আলোচনায় এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোন গণমাধ্যমে কখন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন ও সরকারি নথি যাচাই করে নির্ধারণ করা উচিত।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বর্তমান অবস্থা কী? গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে কি না? প্রেরণা এনজিওর গত দশ বছরের অনুদানের তদন্ত কতদূর এগিয়েছে? এসব প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর জানতে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, জেলা পুলিশ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও আদালতের নথি যাচাই করা প্রয়োজন।