
আল আমিন সরদার ষ্টাফ রিপোর্টার:যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক যশোর বার্তা পত্রিকায় দ্বিতীয় পাতায় তালা হাসপাতালের আরএমও ডাঃ নয়নের নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ বদলি ঠেকাতে দৌড়ঝাপ শুরু শিরোনামে নিউজ প্রকাশ করলেই তালা উপজেলা সহ বিভিন্ন সাধারণ মানুষের ভিতর আলোচনা সমালোচনা শুরু হয় এরপরেই নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেন এই কর্মকর্তা নারী কেলেঙ্কারি ডাক্তার খালিদ হোসেন নয়ন নাম না বলা সত্বে হাসপাতাল কর্মকর্তা জানান এই লুচ্চা ডাক্তার নয়ন বিপন্ন সময় আমাদের হাসপাতালে মহিলা নাসদের কুপুস্তাব দেন তার কথায় রাজি না হলেই বিভিন্ন ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড করতেন তাছাড়া অভিযোগ রয়েছেন সরকারি হাসপাতাল থেকে বেশ কিছু মেশিন নিয়ে ঢাকায় বিক্রিও করেছেন এই নারী কেলেঙ্কারি ডাক্তার নয়ন আমরা এই লম্পট দুর্নীতিবাজ ডাক্তার নয়নের সঠিক বিচার চাই দৈনিক যশোর বার্তা পত্রিকায় নিউজ এই ডাক্তার নয়নের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশ করলেই কর্তৃপক্ষর নজরে আসেন এরপরেই নড়েচড়ে বসেছেন নারী কেলঙ্ককারী ডাক্তার খালিদ হাসেন নয়ন মোটা অংকের টাকা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাও করছেন এই দুর্নীতি নারী কেলেঙ্কারি ডাক্তার নয়ন
উল্লেখ-সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ খালিদ হাসান নয়ন নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলী করা হয়েছে। বদলী ঠেকাতে লক্ষ লক্ষ টাকার মিশন নিয়ে ঢাকাতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চাকুরী জীবনের শুরুতে ডাঃ খালিদ হাসান নয়ন মেডিকেল অফিসার হিসেবে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে সম্পূর্ণ গাঁয়ের জোরে সিনিয়রদের টপকিয়ে আরএমও পদ বাগিয়ে নেন। এই সুযোগে পদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে একজন নারী মেডিকেল অফিসারের সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার উপর ক্ষেপে যান এবং তাকে তাড়াতে উঠে পড়ে লেগে যান। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে হয়রানি করতে থাকেন। এসময় ডাঃ রাজিব সরদার নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা উর্দ্ধতোন কর্তপক্ষ কে লিখিতভাবে অবিহিত করেন। এর কিছু দিন পরে ডাঃ রাজিব সরদারের বদলীর আদেশ হয়।সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৪৫.০১.০০০০.০০০.০০৪.২৫.০০০২.২৫.৬৮.৯০৮ স্বারকে পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ এ বি এম আবু হানিফ স্বাক্ষরিত পত্রে ডাঃ খালিদ হাসান নয়ন কে শর্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলীর আদেশ দেন। এদিকে ডাঃ নয়নের তালায় নিজস্ব চেম্বার থাকায় ও ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধার কারণে অন্যত্রে বদলী হওয়ায় ক্ষেপে যান। বদলী আদেশ পরিবর্তন করতে বর্তমান কর্মস্থলে যোগদান না করে লক্ষ লক্ষ টাকার মিশন নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। এরআগে ডাঃ নয়ন আরএমও থাকা কালীল সময়ে তালা হাসপাতালের রুগী ওয়ার্ডের ১০ টি এসি চুরি হয়। অদ্যবধী তার কোনো তদন্ত করা হয়নি। দলীয় প্রভাবে প্রশাসনিক ক্ষমতা তার হাতে থাকলেও নৈশপ্রহরী সহ কেহই নিজ দ্বায়িত্ব পালন করেনি। প্রশানিক কাঠামো ভেঙে পড়ে, রোগী ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে সেবা না পেয়ে ফিরে যায়। অধিকাংশ ডাক্তার অফিস না করে বিভিন্ন ক্লিনিকে দ্বায়িত্ব পালন করেন। হাসপাতালের ষ্টাফ ঔষধ সরিয়ে ফেলার কারণে দরিদ্র অসুস্থ ব্যক্তিরা ঔষধ পায় না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি বলেন, হাসপাতালের একজন নারী ডাক্তারের সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক আছে। সে স্থানীয় হওয়ার কারণে কাহারও মূল্যায়ন করে না। তার যথেচ্ছা চলার কারণে হাসপাতালে কোনো শৃঙ্খলা নেই। তাকে অন্যত্র বদলীর কারণে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান তারা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ডাঃ নয়ন বলেন, আমি বাইরে আছি। আমাকে বদলী করা হয়েছে সত্য তবে আমার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ খুবই দুঃখজনক। আমি কখনো এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত ছিলাম না। মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে অপমানিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।