
সাতক্ষীরা অফিস: সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়কে ঘিরে দুর্নীতি, দালাল সিন্ডিকেট ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ দিন দিন আরও প্রকট আকার ধারণ করছে। সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) উসমান সরওয়ার আলম ও মোটরযান পরিদর্শক ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল চক্রের মাধ্যমে লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ প্রদানের নামে ঘুষ বাণিজ্য চলছে। সরকারি নিয়মে আবেদন করেও সাধারণ মানুষ সেবা পাচ্ছেন না, বরং দালালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।একাধিক প্রতিবেদনে এসব অনিয়ম তুলে ধরা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায় ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে। সচেতন মহলের প্রশ্ন—বারবার অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরও কেন নেওয়া হচ্ছে না কার্যকর কোনো পদক্ষেপ?অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকরির সীমিত আয়ের বিপরীতে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও দৃশ্যমান সম্পদের পরিমাণ নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ অর্থের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে বাড়ি-গাড়িসহ বিপুল সম্পদ, যা তাদের বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।একজন সচেতন নাগরিক বলেন,“এতবার সংবাদ প্রকাশের পরও যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে বুঝতে হবে কোথাও না কোথাও প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়া রয়েছে।”পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু দুর্নীতি নয়—অযোগ্য চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে, যা সরাসরি সড়ক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।দাবি উঠেছে বিআরটিএ সাতক্ষীরা কার্যালয়ের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তদালাল সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে উচ্ছেদ অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সম্পদের উৎস অনুসন্ধান
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতিসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি হারাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রতিষ্ঠান। আর এতে করে দুর্নীতি আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিতে পারে