
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা জেলা তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার খলিষখালি ইউনিয়নের দোলুয়া টিকরাপুর গ্রামে প্রেমের সম্পর্ক করে এক গৃহবধূকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছেন একই গ্রামে আরশাদ সরদারের ছেলে সুমন সরদারের বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে এলাকায় বাঁশি অনেক জানান দেড় বছর আগে তালা পাটকেলঘাটা খলিশখালী টিকরামপুর গ্রামের খোরশেদ সরদার দেড় বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন তার মৃত্যু বরণে পর তার স্ত্রী আম্বী বেগম বয়স ( ৪০) বছর একা বাড়িতে থাকতেন। কিন্তু তার স্ত্রী একা থাকায় তার পাড়া প্রতিবাসী ভাতিজার আরশাদ সরদার এর ছেলে সুমন সরদার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেন এবং সেখানে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন যাতায়াত করতেন এই আরশাদ সরদারের ছেলে সুমন সরদার। গত ২৭/৬/২০২৪/ তারিখে শুক্রবার সকাল তার লাশ দেখতে পান তার বাড়ির পাশে প্রতিবাসী আব্দুর রহমান গাজীর স্ত্রী নাজমা বেগম তখনই তার ডাক চিৎকারে এলাকায় বাসি ঘটনাস্থল আসেন এসে দেখতে পান খোরশেদ সরদারের স্ত্রীর আম্বী বেগম মুখে ও গায়ে রক্ত মাখা অবস্থায় পড়ে আছেন তার ঘরের ভিতর তখন এলাকাবাসী এই নিয়ে আলোচনার ঝড় তুললেই তার মৃত্যুর কথা শুনে এলাকাও ছাড়া হন এই পরকীয়া প্রেমিক আরশাদ সরদারের ছেলে সুমন সরদার এলাকাবাসী আরো জানান তার এই প্রেমের সম্পর্ক কারণে তাকে হত্যা করে মারা হয়েছে কিন্তু এই আম্বী বেগম এর পরিবার মান সম্মানের চিন্তা করে তারে স্ট্রাক হয়েছে বলে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ ব্যাপারে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে তার প্রতিবেশী তালা পাটকেলঘাটা খলিষখালি টিকরামপু গ্রামের। আব্দুর রহমান গাজীর স্ত্রী নাজমা বেগমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেই তিনি পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে আম্বী বেগম কন্যার কাছে জানতে চাইলেই তিনি বলেন আমার মাকে তো হত্যা করা হয়েছে এটা তো এলাকাবাসী সবাই বলছে আমারও ধারণা তাই হতে পারে আমার মায়ের প্রেমের সম্পর্ক কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিন্তু আমি দীর্ঘদিন আমার মা বাপের কাছে যতো এক বন্ধ তাই আমি কিছু করতে পারছি না আর আমাদের পরিবার মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে হার্ট অ্যাটাক এ মারা গিয়েছে বলে বলছে আমি আর কি বলব বলেন।
এ ব্যাপারে মহিলা ইউপি সদস্য হালিমা বেগম জানান আমরা ঘটনাস্থলে এসে মহিলার গায়ে একাধিক রক্তের দাগ পেয়েছি মাথায় একটি আঘাতের দাগ হয়েছে তাছাড়া এলাকাবাসী যেটা বলছে তার গর্বে নাকি সন্তানও ছিল এলাকাবাসী অনেকে বলছে তার এই প্রেমের সম্পর্কের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিন্তু তার পরিবার মান সম্মানের কথা চিন্তা করে তারা কোন মামলা দিতে রাজি নাই আমরা এলাকাবাসী চাই এই হত্যাকান্ড বিচারক।
এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ওসি বিপ্লব কুমার নাথের কাছে জানতে চাইলে তার সরকারি নাম্বারে ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।