
সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালার ইসলামকাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব আব্দুল জলিল বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা ঘুষ আদায় করছেন নায়েব আব্দুল জলিল তার ঘুষ বাণিজ্য অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।বাংলাদেশ সরকার ভূমির নামজারির ফি ১ হাজার ৭০ টাকা নির্ধারণ করলেও তিনি সর্বনিম্ন ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছেন। আর অশিক্ষিত মানুষের কাগজপত্রে ত্রুটি না থাকলেও তিনি ভুল বুঝিয়ে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করছেন বলে এমন অভিযোগ ইসলামকাটি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষেরতিনি ইসলামকাটি ভূমি অফিসে যোগদান করার পর ৭ মাসের মধ্যে শুধু জমির নামজারিতে ঘুষ-বাণিজ্য করেছেন প্রায় ১১ লাখ টাকা। এখন তার মাসিক ঘুষ-বাণিজ্যের টাকার পরিমাণ প্রায় ২থেকে৩ লাখ টাকা অবৈধভাবে পড়েছেন সম্পদের পাহাড় ব্যাংকে রয়েছেন কোটি টাকা এই নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছেনসামান্য ভুল থাকলেও জমির মালিকদের কাছ থেকে নিজে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন এক ভুক্তভোগী তিনি আরো বলেন কেউ টাকা না দিলে তিনি কোনো কাজই করেন না এবং কাগজপত্র তালাবদ্ধ করে রেখে দেন। ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণে তিনি কয়েক গুণ টাকা নিয়ে থাকেন। এই ভূমি অফিসের চৌকাঠ পেরুলেই ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল জলিল নিজের করা আইন মানতে হয় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে।সরেজমিনে জানা গেছে, ভূমি অফিসে নামজারি, জমিভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তোলাসহ সব কাজে সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা নিচ্ছেন তিনি। চুক্তির টাকা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না আব্দুল জলিল। তার দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ভূমি মালিকরা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, তিনি সরাসরি জমির নামজারি করতে গিয়ে তিনি বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও তাকে অনেক আগের মালিকদের ওয়ারিশ সনদ এনে দিতে বলা হয়, যার কারণে আর নামজারি করা হয়নি পরবর্তীতে কাজটা করে নিতে দাবি করা হয় দেড় লক্ষ টাকা না দিতে পারায় নায়েব আব্দুল জলিল কাজটা করিনি। দালাল ছাড়া গেলে সবার সঙ্গে এমনই করা হয়।জানা যায় নায়েবের আব্দুল জলিল স্থায়ী বাড়ি তালা উপজেলা তারট নিজের সুযোগ সুবিধার জন্য তারই উপজেলায় তালা উপজেলার ইসলাকাটি ভূমি অফিসের মোটা অংকের টাকা থিয়েটার যোগদান করেন বলে অভিযোগ করেন অনেকেই এলাকার সচেতন মহল নায়েবের আব্দুল জলিল শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।এ ব্যাপারে তালা ইসলামকাটি ভূমি নায়েব আব্দুল জলিল কাছে জানতে তার ব্যবহারিত নাম্বারে বারবার ফোন দিলেও রিসিভ না করাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নিএ ব্যাপারে তালা উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানতে চাইলে তিনি বলেন তার বিরুদ্ধে যদি এমন কোন অভিযোগ থাকে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে