নিজস্ব প্রতিবেদক, তালা, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তার পাশেই গাছ বিক্রির ৭০ হাজার টাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ অর্থের হিসাব ও ব্যবহার নিয়ে অভিযোগের তীর উঠেছে নায়েব হেলাল উদ্দিনের দিকে। তবে গাছগুলো কার মালিকানাধীন ছিল, কারা বিক্রি করেছেন, বিক্রির অর্থ কে গ্রহণ করেছেন এবং অর্থ সরকারি বা সংশ্লিষ্ট তহবিলে জমা হয়েছে কি না—এসব বিষয় এখনো কোন তথ্যপ্রমন দেখাতে পারেনি নায়েব হেলাল।
গাছ বিক্রির ৭০ হাজার টাকার হিসাব কোথায়?
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হচ্ছে, খলিশখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছিল, বিক্রির অনুমতি ছিল কি না এবং বিক্রির অর্থ কোথায় জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লিখিত ৭০ হাজার টাকা যদি যথাযথ হিসাবে জমা না হয়ে থাকে, তাহলে তার দায় কার—এ বিষয়টিও তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা। বিক্রির রসিদ, অনুমোদনপত্র, অর্থ গ্রহণের প্রমাণ এবং হিসাবের খাতা পরীক্ষা করলেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
আগের অভিযোগের সঙ্গে নতুন প্রশ্নখলিশখালী এলাকায় নায়েব হেলাল উদ্দিনকে ঘিরে আগেও ঘুষ ও দুর্নীতিসংক্রান্ত অভিযোগের কথা আলোচনায় এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। তবে আগের অভিযোগগুলোর সুনির্দিষ্ট নথি ও তদন্তের হয়নি। ফলে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিগাছ বিক্রির অর্থের বিষয়ে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত হিসাব প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। গাছ বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বিক্রির অনুমতি, অর্থ গ্রহণ ও জমার নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থানও স্পষ্ট করা জরুরি।
একই সঙ্গে নায়েব হেলাল উদ্দিনের বলেন এসব দেখিয়ে কোন লাভ হবে না আমার বড় নেতা আছে বলে ফোনটা কেটে দেয়
জনস্বার্থে প্রশ্ন: খলিশখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে গাছ বিক্রির ৭০ হাজার টাকা কোথায় জমা হয়েছে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এর স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে।