
জোয়ার্দার ফারুক হোসেন , তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃসাতক্ষীরার তালা উপজেলার মেলা বাজার ও মাঝিয়াড়ার মোড় সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের সীমানা নির্ধারণে মাপ জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডর সার্ভেয়ার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের ও স্থানীয় আমিনের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এই মাপ জরিপ সম্পন্ন করেন। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন প্রচেষ্টার নির্বাহী পরিচালক শেখ ইয়াকুব আলী সহ শত শত গ্রামবাসি এসময় উপস্থিত ছিলেন। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, তালা সদর ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন মাঝিয়াড়া মৌজার ২১৬৬ খতিয়ানের ৩০৪৮ দাগের ২ একর সম্পত্তির মধ্য হতে ১ একর ৬০ শতাংশ জমি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন প্রচেষ্টার নামে ক্রয় করে মৃৎশিল্পের কারখানা, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এই জমির সীমানা নির্ধারণ সহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঘেরা বেড়া দেয়া চলমান।এর প্রক্ষিতে তালার মাঝিয়াড়া গ্রামের মৃত্যু এজাহার আলীর ছেলে এস এম নজরুল ইসলাম নদী দখলের মিথ্যা অভিযোগ তুলে পানি উন্নয়ন বোর্ড, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এই মাপজরিপ করা হয়।
এসময় তালা উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় বিএনপি নেতা গাজী সিরাজুল ইসলাম, মোঃ মহিউদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান সহ অনেক বলেন, উন্নয়ন প্রচেষ্টার ক্রয়কৃত ১একর ৬০ শতক জমির মধ্যে প্লটে আছে ১ একর ১২ শতক এবং ৪৮ শতক জমি নদীর মধ্যে চলে গেছে। এই জমির সীমানা হতে গড় ২৫ ফুট নদীর মধ্যে পড়েছে। যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডর সার্ভেয়ার মোঃ শাহীন আলম বলেন, কপোতাক্ষ নদের জায়গা উন্নয়ন প্রচেষ্টার দখলে নাই। উন্নয়ন প্রচেষ্টার জমি কপোতাক্ষ নদের মধ্যে গড় ২৫ ফুট পড়েছে।উন্নয়ন প্রচেষ্টার নির্বাহী পরিচালক শেখ ইয়াকুব আলী বলেন, তালা সদর ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন মাঝিয়াড়া মৌজার ২১৬৬ খতিয়ানের ৩০৪৮ দাগের ২ একর সম্পত্তির মধ্য হতে ১ একর ৬০ শতাংশ জমি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন প্রচেষ্টার নামে ক্রয় করে মৃৎশিল্পের কারখানা, দুগ্ধ প্রকৃয়াজাতকরণ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এই জমির সীমানা নির্ধারণ সহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঘেরা বেড়া দেয়া হচ্ছে। সংস্থার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাঁধাগ্রস্থ করতে এলাকার জন বিচ্ছিন্ন, তালা প্রেসক্লাবের ভূয়া সভাপতি পরিচয় দানকারী, মামলাবাজ ও একাধিক মামলার আসামী এস এম নজরুল ইসলাম সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন কাল্পনিক অভিযোগ করেছে। সে কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ও তালা এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার জমি মাপ জরিপ করেন। উন্নয়ন প্রচেষ্টার প্রায় ৪৮ শতক জমি নদীর মধ্যে পড়েছে বলে জানান তিনি।