
তামিম বর্তমানে বিসিবির এডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী জুনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবি নির্বাচনের আয়োজনও তার নেতৃত্বেই সম্পন্ন হচ্ছে। এর আগে তিনি আগাম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এবং সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন।তামিমের ক্রিকেট প্রশাসনে আগমন মূলত বিতর্কিত এক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পর। সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিলেও সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়ান। পরবর্তীতে ওই নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।তদন্তে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তৎকালীন বোর্ড ভেঙে দিয়ে এডহক কমিটি গঠন করে এনএসসি, যার নেতৃত্বে আসেন তামিম। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি ক্রিকেট প্রশাসনে একাধিক পরিবর্তন আনেন। গ্যালারিতে দর্শকদের সুবিধা বাড়ানো, ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি ও বেতন বৃদ্ধি, এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দীর্ঘদিন পর ‘বল বয়’ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার মতো সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে।
এডহক কমিটির প্রধান হিসেবে তার মূল দায়িত্ব এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিসিবি নির্বাচন সম্পন্ন করা। সেই নির্বাচনের মাধ্যমেই পরবর্তী বোর্ড গঠিত হবে।এদিকে তামিমের প্রশাসনিক ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার সাবেক সতীর্থ সাকিব। মুম্বাইয়ে ইইউটি-২০ বেলজিয়ামের একটি ইভেন্টের ফাঁকে এ তারকা অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি বলতে চাই সে (তামিম ইকবাল) তো নির্বাচিত হয়ে আসেনি। সে নির্বাচন আয়োজনের জন্য দায়িত্ব পেয়েছে এবং আশা করি সে যদি সভাপতি হয়, আমি মনে করি তার একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা থাকবে এবং নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশ ক্রিকেট তার কাছ থেকে উপকৃত হবে।’নিউজিল্যান্ড সিরিজ নিয়েও মন্তব্য করেন সাকিব। তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ দল ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দলগতভাবে ভালো ক্রিকেট খেলছে, যা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত।সাকিব বলেন, ‘বাংলাদেশ দল এই মুহূর্তে সত্যিই ভালো করছে। তারা মাত্রই নিউজিল্যান্ডকে (ওয়ানডে সিরিজে) হারিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিও জিতেছে। বাংলাদেশের এখনকার দলটা ভালো আছে। আগে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করতো কিন্তু এখন পুরোটা দল কেন্দ্রিক। আমি মনে করি এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটাই ভালো উপায়।’