
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকার ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জাহাঙ্গীর আলমের নামে ৭২ লাখ টাকা মূল্যের একটি জমি ক্রয়ের তথ্য নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, জমিটির মালিক ছিলেন সাভার উপজেলার কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান। জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত থাকলেও এর আগে তিনি সাভার উপজেলার কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে সাবেক কর্মস্থলের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে এত বড় অঙ্কের অর্থে জমি ক্রয়ের বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, একজন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কীভাবে ৭২ লাখ টাকা ব্যয় করে জমি কিনলেন? ওই অর্থের উৎস কী—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত বলে তারা মনে করছেন।
সচেতন মহলের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তার সম্পদের পরিমাণ তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সন্দেহ দেখা দেয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, জমি ক্রয়ে ব্যবহৃত অর্থের উৎস ও লেনদেনের বৈধতা তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে আনা হোক।
প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সচিব জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।