কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ বাজার এলাকায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গভীর রাতে তিন লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। চলতি মাসের ১১ তারিখ রাত ১২টার দিকে এ লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী বাপ্পি। একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই শামীমের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী বাপ্পির দাবি,ডাচ্ -বাংলা এজেন্ট বাশারের মাধ্যমে তাঁর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। এ লেনদেনের সঙ্গে ডাচ্ বাংলা এজেন্ট বাদশা নামের এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, গত ১১ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে পোড়াদহ বাজার এলাকার ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্টের মাধ্যমে টাকার লেনদেন হয়।
বাপ্পির বক্তব্য অনুযায়ী, রাতের ওই সময়ে টাকা লেনদেনের বিষয়টি বিশেষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সংশ্লিষ্ট রেকর্ড, লেনদেনের সময়, অর্থ গ্রহণ ও প্রেরণের তথ্য এবং এজেন্টের কার্যক্রমের নথি পরীক্ষা করা হলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পার।
এসআই শামীমের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ
ভুক্তভোগী বাপ্পির আরও অভিযোগ, কুষ্টিয়া ডিবিতে কর্মরত এসআই শামীম তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়েছেন। তাঁর দাবি, চাপের মুখে তাঁকে একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর করতে হয়েছে। এ ঘটনার পর তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে এবং বাড়ি ছেড়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
তবে লিখিত কাগজে কী উল্লেখ রয়েছে, কী পরিস্থিতিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে এবং টাকা লেনদেনের সঙ্গে এসব ঘটনার কী সম্পর্ক, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং এজেন্টের লেনদেনের রেকর্ড, তিন লাখ টাকা হস্তান্তরের প্রমাণ, লিখিত কাগজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে। বাপ্পি বলেন আমাকে বিভিন্ন মামলার ভয় দেখিয়ে আমাকে হুমকি থামিয়ে রেখেছেন এবং আমাকে করেছেন এসআই শামীম আমি যদি এলাকায় যাই আমাকে বিভিন্ন মামলায় চালান দিবে বলেও জানিয়েছেন তিনি
ভুক্তভোগী বাপ্পি ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার ডিবির এস আয় শামীম হোসেনের কাছে জানতে চাইলেই তিনি বলেন আপনাদের মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে এমন কোন কিছু ঘটেনি তাছাড়া এসআই শামীম সাংবাদিক দের টাকা দিয়েও ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন সেটাও ব্যর্থ হয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন।এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সরকার নাম্বারে ফোন দিলেই তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানালেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি বরং ভুক্তভোগী বাপ্পীকে কুষ্টিয়া ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছেন