নিজস্ব প্রতিবেদক দৈনিক সোনার বাংলাদেশ;
সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলে অবস্থিত সাতক্ষীরা ট্রমা সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হাসপাতালকে ঘিরে চিকিৎসাসেবা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক হিসেবে পরিচিত ডা. হাফিজুল্লাহ নিজেকে জামায়াতে ইসলামী নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন।অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়ম করছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মকানুন উপেক্ষা করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি।সম্প্রতি ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করেও হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জরুরি চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা পেতে বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং তার অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। অনুমোদন ও পরিচালনা নিয়ে তদন্তের দাবি স্থানীয়দের পক্ষ থেকে হাসপাতালটির লাইসেন্স, অনুমোদন, চিকিৎসক-নার্সের উপস্থিতি, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে।অভিযোগকারীরা বলেন, কেউ রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় ব্যবহার করে থাকলেও আইনের ঊর্ধ্বে নন। তাই সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।এ বিষয়ে ডা. হাফিজুল্লাহর বক্তব্য এবং তার রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলীয় সূত্রের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। প্রশ্ন এখন একটাই—অভিযোগগুলোর সঠিক তদন্ত হবে কবে?