
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ১১ জন ইউপি চেয়ারম্যান পদত্যাগ নিয়ে যখন ব্যাপক আলোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী লাট মিয়া বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাকে ঘিরে উঠেছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ, যা নিয়ে স্থানীয় মহলে তীব্র সমালোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্বৈরাচার আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি অবৈধভাবে ভাটা দখলসহ বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি শত কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, রাজনৈতিকভাবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী মহলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সরকার পতনের পরও তার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়াও, সম্প্রতি একটি আলোচিত অভিযোগ সামনে এসেছে—বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সংসদ সদস্য গয়েশ্বর রায় এর পরিবারের এক সদস্যকে ছেলের (বৌমা) প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি মাইক্রোবাস উপহার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
অন্যদিকে, ভাটা ব্যবসায় একাধিক অংশীদার থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রাপ্য অংশ না দিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই।উপজেলায় যখন একাধিক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, তখন এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও হাজী লাট মিয়ার বহাল থাকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।