
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরায় প্রেরনা এনজিও খুলে শ্যামনগরে উপকূলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে আত্মসাৎ করছে স্বৈরাচারী দোসর সম্পা গোসামী। অনুসন্ধানে জানা যায়, সাতক্ষীরার এক প্রভাব শালী সাংবাদিকের ছত্রছায়ায় থেকে বে বেপরয়া হয়ে উঠেছে। সম্পা গোসামীর কালিগজ্ঞের বাসিন্দা। সে এনজিও পাশাপাশি একটি হাইস্কুলের শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে রয়েছে পরকিয়ার অভিযোগ। পরকিয়া কারনে তার স্বামী তাকে ছেড়ে গেছে বলে কালিগজ্ঞের অনেকে জানায়।নাম না জানানোর শর্তে স্থানীয়রা জানায়, সম্পা গোসামীর দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা। ওই সময় থেকে তার লোভ ছিল বড়লোক হওয়ার। কালিগজ্ঞে বিয়ের হওয়ার পর থেকে কিছুদিন স্বামীর ঘর করার পর কিছুদিন পর পরিচয় হয় অনেক প্রভাব শালীদের সাথে। এরপর থেকে বড় লোক হওয়ার নেশায় সে বেপরয়া জীবন যাপন বেছে নেয়।শরু হয় শহরের বড় লোকদের সাথে চলা এক পর্যায়ে শহরের এক নাম করা সাংবাদিকেরর হাত ধরে প্রেরনা নামে এক এনজিও লাইসেন্স খুলে নেন।এনপর তাকে ছেড়ে অন্য রাস্তায় শুরু হয় তার পথ চলা।এভাবে একের পর এক বড় লোকদের সাথে সম্পর্ক গড়ে সে এখন বিপুল সম্পাদের মালিক।এব্যাপারে আব্দুল করিম নামে একজন জানান, সম্পা গোসামীর বড় লোক হওয়ার নেশায় বেপরয়া জীবন জাপন করেন। তার পরকিয়া কারনে তার স্বামী তাকে ছেড়ে গেছে। এখন সে তৌহিদ নামে এক অফিস কলিগকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান।রাতে একই অফিসে থাকেন। এবিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে পুলিশে ভয় দেখান।আদিল শেখ নামে একজন জানান, সম্পা গোসামী ভারতীয় নাগরিক। সে নিয়মিত ভারতে যাতায়ত করে। দেশে এনজিও টাকা মেরে সে নিয়মিত ভারতে পাচার করে আসছে। গেল ৫আগষ্টের আগে থেকে কয়েকবার ভারতে গিয়েছে তার পাসপোর্ট দেখলে সত্যতা পাওয়া যাবে।এব্যাপারে এলাকবাসী জানান, সম্পা গোসামী আওয়ামীলীগের দোসর সে এখন বিএনপি সাজতে চায়।বছর দুই আগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিটা অনুষ্ঠানে সে গিয়ে বক্তব্য দিত।এখনও আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে নিয়মিত টাকা পয়সা দেয়। সে বর্তামানে উপকূলের মানুষের উন্নয়নের নামে বোকা বানিয়ে প্রতিবছর সরকারের কাছ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছো। এজন্য তাকে আইনের হাতে তুলো নিতে প্রশাসনের সহযোগিতা চায় এলাকাবাসী।
এব্যাপারে সম্পা গোসামীর সাথে কথা বললে গালিগালাজ করে সাংবাদিককে পুলিশে দিয়ে মিথ্যা মামলার হুমকি দেন।