নিজস্ব প্রতিবেদক:খুলনার খর্নিয়া হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই সাতক্ষীরা–খুলনা মহাসড়কে চলাচলকারী পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও অন্যান্য পরিবহন থেকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা অবৈধ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এসআই মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে। দৈনিক সোনার বাংলাদেশের অনুসন্ধানে এমন অভিযোগ সামনে এসেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিতভাবে যানবাহন থামিয়ে নির্দিষ্ট হারে টাকা আদায় করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, মাসিক চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাগজপত্রের অজুহাতে গাড়ি আটকানো, মামলা ও হয়রানির ভয় দেখানো হতো। একাধিক পরিবহন চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ প্রকাশের পর হোয়াটসঅ্যাপে হুমকির অভিযোগ
এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর দৈনিক সোনার বাংলাদেশের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ০১৩২০-১৮৪৩৩৬ নম্বর থেকে আপত্তিকর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনমূলক বার্তা আসে বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক আল আমিন সরদার।সংরক্ষিত স্ক্রিনশট অনুযায়ী, ওই নম্বর থেকে লেখা হয়— “আমি আপনার নামে এজাহার করছি”, “চাঁদা দাবি করেন”, “পালাতক থেকে আর কী করবেন”—এবং আরও অশালীন ভাষায় হুমকি দেওয়া হয়। জবাবে সাংবাদিক লিখেন, “মুখের ভাষা ঠিক করেন ভাই” এবং “খোঁজ নিয়ে কথা বলা উচিত।”
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
স্থানীয় সাংবাদিক, পরিবহন মালিক ও চালকদের দাবি, এসআই মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ওঠা ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরের পরিচয় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।